সাবেক জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান জাস্টিস (অব.) মইনুল ইসলাম চৌধুরী জুডিসিয়ারি সংস্কারের জন্য ই-জুডিসিয়ারি ব্যবস্থা এবং হাই-প্রোফাইল মামলার লাইভস্ট্রিমিং করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই আহ্বান জানান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ ও এ কে খান ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে আয়োজিত ৮ম এ কে খান স্মারক আইন বক্তৃতা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে।
জাস্টিস চৌধুরী বলেন, জুডিসিয়ারিতে জনবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য পাঁচটি মূল স্তম্ভ প্রয়োজন যার মধ্যে স্বচ্ছতা অন্যতম। তিনি বলেন, রায় প্রকাশ দ্রুত করা উচিত এবং হাই-প্রোফাইল মামলার লাইভস্ট্রিমিং করা উচিত যাতে আদালতের গোপনীয়তার ধারণা দূর হয়। তিনি আরও বলেন, আইন ভাষা সহজ করে লেখা উচিত যাতে সাধারণ মানুষ রায় বুঝতে পারে।
জাস্টিস চৌধুরী আদালতের কর্মপদ্ধতি আরও স্বয়ংক্রিয় করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলো দেশব্যাপী ৪৫ লক্ষ মামলার ব্যাকলজ কমাতে সাহায্য করবে। তিনি জুডিসিয়ারির চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিযোগকৃত দুর্নীতি, মামলার ব্যাকলজ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য আইনগত সুবিধার অভাবকে চিহ্নিত করেছেন।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: জুডিসিয়ারি সংস্কারের জন্য জাস্টিস মইনুল কী পরামর্শ দিয়েছেন? উত্তর: তিনি ই-জুডিসিয়ারি ব্যবস্থা এবং হাই-প্রোফাইল মামলার লাইভস্ট্রিমিং করার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রশ্ন: জুডিসিয়ারিতে জনবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য কী পাঁচটি মূল স্তম্ভ উল্লেখ করেছেন জাস্টিস চৌধুরী? উত্তর: স্বচ্ছতা, অখণ্ডতা ও নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবন, স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা এবং অপরাজিত আচরণ।
প্রশ্ন: জুডিসিয়ারির চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জ কী কী? উত্তর: অভিযোগকৃত দুর্নীতি, মামলার ব্যাকলজ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য আইনগত সুবিধার অভাব।





































