আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী এমদ আসাদুজ্জামান বলেছেন, ন্যায়বিচারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা মানবাধিকার রক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং নাগরিকদের অন্তর্নিহিত ও সার্বজনীন অধিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, ন্যায়বিচারে প্রবেশ শুধুমাত্র বিবাদ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতা সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর মূল উদ্দেশ্য প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকার সংরক্ষণ, রক্ষা এবং নিশ্চিত করা। এমনকি একজন গুরুতর অপরাধের অভিযুক্ত ব্যক্তিরও নিজেকে রক্ষা করার অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্রকে অবশ্যই সেই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আইনমন্ত্রীর উদ্যোগ ও নির্দেশনা
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান আজ রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুরের বিরাক-সিডিএম-এ 'বাংলাদেশে ডিজিটাল আইনি সহায়তা পরিষেবা ত্বরান্বিতকরণ' প্রকল্প নিয়ে দুদিনব্যাপী এক সমন্বয় বৈঠকের উদ্বোধন করে এই মন্তব্য করেন। বিচারক, আইনি সহায়তা কর্মকর্তা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা বৈঠকে অংশগ্রহণ করছেন।
এছাড়াও, আইনমন্ত্রী বিচারকদের অনুরোধ করেছেন যে তারা শুধুমাত্র 'আইনের কালো অক্ষর' এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না হয়ে, প্রতিটি মামলার বিষয়বস্তু, সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য আলোকে আইন ব্যাখ্যা করুন। তিনি বাংলাদেশ আইনি সহায়তা পরিচালনার অধিপতিকে অষ্টম বিভাগের প্রতিটি বিভাগ থেকে 'সেরা আইনি সহায়তা কর্মকর্তা' নির্বাচন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকের বিষয়বস্তু ও উদ্যোগসমূহ
বিচারক, আইনি সহায়তা কর্মকর্তা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা বৈঠকে অংশগ্রহণ করছেন। বৈঠকের প্রথম দিন বাংলাদেশ আইনি সহায়তা পরিচালনার অধিপতি এমদ মনজুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সমন্বয় বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে, জেলা ও অধিবেশন বিচারকরা প্রশিক্ষণ, আইনি সহায়তা কমিটির কার্যক্রম এবং আইনি সহায়তা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও প্রতিবেদনের বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন। বৈঠকে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষদের জন্য বিচারিক পরিষেবা এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার উপায়গুলি পর্যালোচনা করা হবে এবং ডিজিটাল পরিষেবাগুলি উন্নত করার ক্ষেত্রে উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা হবে।





































