জাপানের মূল মুদ্রাস্ফীতি জুলাইয়ে ১.৮ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জুনের ১.৬ শতাংশ থেকে উপরে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং দুর্বল ইয়েনের কারণে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, খাদ্য মূল্য বাদ দিলে মুদ্রাস্ফীতি বাজারের প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
খাদ্য এবং শক্তি মূল্য বাদ দিলে মুদ্রাস্ফীতি ১.৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা জুনের ১.৭ শতাংশ থেকে উপরে এবং সম্মতি পূর্বাভাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অনিয়মিত মুদ্রাস্ফীতি ১.৯ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জুনের ১.৬ শতাংশ থেকে উপরে এবং ব্লুমবার্গ নিউজ অনুসারে গড় অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
দুর্বল ইয়েন জাপানের বড় রপ্তানিকারকদের যেমন টয়োটা এবং সনিকে সহায়তা করে, তেমনি জীবাশ্ম-গরিব জাপানের জন্য তেল এবং খাদ্যের মতো আমদানির খরচ বাড়িয়ে তোলে। প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তীব্র তেল মূল্য বৃদ্ধি থেকে ভোক্তাদের রক্ষা করতে জ্বালানি এবং শক্তি সাবসিডি প্রদান করেছেন।
জাপান ব্যাংক, যার মূল মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্য দুই শতাংশ, জুনে ৩১ বছরের উচ্চতম সুদের হার বাড়িয়েছে এবং এই বছর আবার বাড়ানোর প্রত্যাশা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের দ্বারা গত মাসে ঐতিহাসিক যৌথ বাজার হস্তক্ষেপের পরে মুদ্রার অর্ধেক লাভ হারিয়েছে।
এই পরিবর্তনগুলি জাপানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলবে, যা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ জাপান থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে, যার মূল্য বৃদ্ধি স্থানীয় বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও, জাপানের অর্থনৈতিক নীতি পরিবর্তন বিশ্ব বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে প্রভাবিত করতে পারে।






































