একটি নতুন ফিফা আসিয়ান কাপ এই মাসের শেষের দিকে ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এই প্রতিযোগিতায় ১৪টি দল অংশ নেবে, যার মধ্যে আসিয়ানের ১১টি সদস্য রাষ্ট্র ও তিনটি অতিথি দল রয়েছে। অতিথি দলগুলো হলো হংকং, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ।
বিভাগ এবং খেলাপিনড়ি
প্রথম বিভাগে আটটি দল খেলবে যার মধ্যে রয়েছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এই দলগুলো চারটি করে দুই ভাগে বিভক্ত হবে এবং বিজয়ী দলগুলো ৫ অক্টোবর ফিফা আসিয়ান কাপের চূড়ান্ত খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
দ্বিতীয় বিভাগের আয়োজক হবে হংকং এবং এই বিভাগে ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস, মায়ানমার ও তিমুর-লেস্তে খেলবে। এই দলগুলো তিনটি করে দুই ভাগে বিভক্ত হবে এবং বিজয়ী দলগুলো ৩ অক্টোবর চূড়ান্ত খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
ফিফা আসিয়ান কাপ চালু করা হয়েছে জাতীয় দলগুলোকে আরও অর্থপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ প্রদানের জন্য। ফিফার সভাপতি জিয়ানি ইনফ্যান্টিনো বলেছেন, 'এই প্রতিযোগিতাটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে ফুটবলের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।'
এই নতুন প্রতিযোগিতা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবল দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দল তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফিফা আসিয়ান কাপের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবল দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




































