স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ রাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ এম এ মুহিত আশা প্রকাশ করেছেন যে পরের বছর থেকে বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ লিভার প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে। তিনি জাতীয় সংসদে এই বিষয়টি জানান। রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দেশে লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে এবং মানবসম্পদ প্রস্তুত করার জন্য আরও দুই মাস সময় লাগবে। ফলে দেশে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হবে বছরের শেষ নাগাদ অথবা পরের বছরের শুরুতে।
পূর্বের চেষ্টা ও চ্যালেঞ্জ
পূর্বে বিআরডিইএম এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে লিভার প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল, তবে কোনও সরকার টেকসই লিভার প্রতিস্থাপন সুবিধা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান সরকার দেশে পূর্ণাঙ্গ লিভার প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ হয়েছে। ৩৯ কোটি টাকার খরচে পাঁচ ধরনের সরঞ্জাম দেশে পৌঁছে গেছে এবং বাকি দশ ধরনের সরঞ্জাম এ মাসে পৌঁছাবে।
প্রভাব ও তাৎপর্য
দেশে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হলে রোগীরা দেশের বাইরে যেতে হবে না। তাদের চিকিৎসার খরচ ও যন্ত্রণা কমবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, দেশে লিভার প্রতিস্থাপনের খরচ হবে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা, যেখানে বিদেশে এর খরচ ৭০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দেশে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু করার জন্য তাঁরা দল গঠন করছেন।
দেশে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হওয়া বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রোগীদের চিকিৎসার খরচ ও যন্ত্রণা কমাবে এবং তাঁদের বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন থেকে মুক্তি দেবে।
































