গায়ানা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছে বলে সরকার শনিবার এক চুক্তি ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৬ সালে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর তার অফিস অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি আগ্রাসী অভিযান চালাচ্ছে যার মধ্যে অভিবাসীদের 'তৃতীয় দেশ', অর্থাৎ তাদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য দেশে নির্বাসন অন্তর্ভুক্ত।
গায়ানা সীমিত সংখ্যক নির্বাসিত ব্যক্তিদের গ্রহণ করবে যাদের অপরাধমূলক রেকর্ড নেই। রাষ্ট্রপতি ইরফান আলির সরকার এই ব্যবস্থাকে মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি গায়ানার দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশ্রুতির একটি অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
অন্যান্য কেন্দ্রীয় আমেরিকান এবং ক্যারিবিয়ান দেশগুলোও ওয়াশিংটনের নির্বাসন অভিযানের সাথে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে, যার মধ্যে ২৫০ জন ভেনিজুয়েলানকে এল সালভাদোরের সিইসিওটি বন্দিশালায় পাঠানো হয়েছে।
গায়ানা জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের ব্যবস্থা 'অস্থায়ী প্রকৃতির' এবং স্থায়ী পুনর্বাসন নয়। সরকারী কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে অভিবাসীরা 'স্বেচ্ছায়' গায়ানায় পুনর্বাসিত হবে এবং গায়ানায় তাদের অভিবাসন স্থিতি নির্ধারণের ফলাফল অপেক্ষা করবে। ফলাফলের উপর নির্ভর করে, ব্যক্তিরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যাবে বা তাদের পছন্দ অনুযায়ী অন্য কোথাও চলে যাবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের গ্রহণের জন্য গায়ানার সিদ্ধান্ত তাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং মানবাধিকারের প্রতি আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি দেখায়। এই পদক্ষেপ গায়ানার অভিবাসন নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি তুলে ধরে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, এই ঘটনা অভিবাসন এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতি এবং অনুশীলনগুলি বুঝতে সহায়ক হতে পারে, বিশেষ করে যখন বিভিন্ন দেশ অভিবাসনের চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করে।





























