গাইবান্ধা জেলায় রাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)-১৩ ২৮৭ টি যাবা ট্যাবলেটসহ দুজনকে আটক করেছে। আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের নাম মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ৩৬, গাইবান্ধার সদুল্লাপুর থানার ধরাই গ্রাম এবং মোঃ কামাল হোসেন সুমন, ২৭, যশোরের কোতোয়ালী থানার বাহাদুরপুর গ্রাম। তাদের আটকের সময় তারা গাইবান্ধার সদর থানার কামারজানী বাজার এলাকায় ছিল।
সূত্রপাত হয় র্যাব-১৩-এর গাইবান্ধা ক্যাম্পের অপারেশনাল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কামারজানী বাজার এলাকায় একটি অভিযান চালায়। অভিযানে তারা ২৮৭ টি যাবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে এবং দুই ব্যক্তিকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের ও উদ্ধারকৃত মাদকগুলো র্যাব সদর থানায় হস্তান্তর করে।
পটভূমি
র্যাব মাদক দমন কার্যক্রমে বেশ সক্রিয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত অভিযান চালায় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এই অভিযানের ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রায়ই আটক হয়ে থাকে। গাইবান্ধা জেলায় এই ধরনের অভিযান চলে আসছে বেশ কিছুদিন ধরে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: যাবা ট্যাবলেট কী? উত্তর: যাবা ট্যাবলেট এক ধরনের মাদক যা মেথামফেটামাইন এবং ক্যাফিনের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি মস্তিষ্কে ডোপামাইন এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে, যার ফলে ব্যবহারকারী একপ্রকার উচ্ছ্বসিত অবস্থায় প্রবেশ করে।
প্রশ্ন: র্যাব কী করে কাজ করে? উত্তর: র্যাব হলো বাংলাদেশের একটি অভিজাত নিরাপত্তা বাহিনী যা মাদক দমন, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রম, অপরাধমূলক কার্যকলাপ দমন এবং অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
প্রশ্ন: মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে র্যাবের কার্যক্রম কতটা কার্যকর? উত্তর: র্যাব নিয়মিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় এবং বেশ কিছু গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধার করে। তবে মাদক ব্যবসার সমস্যা এখনও দেশে বিদ্যমান।







































