চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাদুঘরে শহীদ হৃদয় চন্দ্র তারুয়ার রক্তাক্ত জামাপোশাক দেখে তার পিতা রতন চন্দ্র তারুয়া অশ্রুমুখে হয়ে পড়েছেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অন্ধকার জাদুঘরে মোবাইলের টর্চ লাইটে হৃদয়ের রক্তাক্ত জামাপোশাক দেখে রতন চন্দ্র অশ্রুমুখে হয়ে পড়েন। তিনি কাঁদতে থাকেন এবং বলেন, 'আমার স্ত্রী এই শার্টটি তার জন্য কিনে দিয়েছিলেন।'
হৃদয় চন্দ্র তারুয়া ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র। তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই চট্টগ্রামের বাহাদ্দারহাট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।
পিতার বক্তব্য
রতন চন্দ্র তারুয়া বলেন, 'আমি একজন গরীব মানুষ, আমার বাড়ি এখান থেকে অনেক দূরে। আমি কারও সাথে পরিচিত নই, তাই আমি মামলা দায়ের করতে চাইনি। অন্য এক অভিযোগকারী ২৬৫ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। তবে তারা সেই মামলাটি রাজনীতি এবং ব্যবসার জন্য ব্যবহার করছে। আমি না শুধুমাত্র আমার ছেলের মৃত্যুর জন্য ন্যায়বিচার চাই, বরং যারা এই মামলাটি ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধেও ন্যায়বিচার চাই।'






























