লালমনিরহাটে আজ বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জোর দিয়ে বলেছেন, ড্রাগসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে দেশে সব ধরনের ড্রাগস পাচার করা হয়েছিল।
দুলু বলেছেন, "বাংলাদেশের অধিকাংশ যুবক ড্রাগসের আসক্তিতে আক্রান্ত হয়েছে কারণ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন পূর্ববর্তী শাসনামলে দেশটি সীমান্ত অঞ্চল থেকে অবৈধ ড্রাগস আমদানির প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠেছিল"।
জেলা পরিষদের হলরুমে ২৫টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ছানা বিতরণ অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে মন্ত্রী বলেন, "ড্রাগস মোকাবিলায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতা এবং সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় ড্রাগস-মুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব"।
স্বেচ্ছাসেবকদেরকে ড্রাগসের অপব্যবহার, জুয়া, ক্যাসিনো, শিশু বিবাহ এবং দহেজের মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে নেতৃত্ব দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যুবকদের উদ্দেশে বলেন দুলু, "আমরা তোমাদের জন্য নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই এবং তোমরাই এই নতুন উদ্যোগের বাহক। সুতরাং ড্রাগসের বিরুদ্ধে 'না' বলতে হবে। ড্রাগসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ বৃদ্ধি করলেই ড্রাগস-মুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব"।
বাংলাদেশে ড্রাগস আসক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অনুমান করা হচ্ছে প্রায় ৮২ লক্ষ ব্যক্তি ড্রাগস ব্যবহার করে। দেশটি কোনো মাদক উৎপাদন করে না, তাই বেশিরভাগ ড্রাগস বিদেশ থেকে পাচার করা হয়।
দেশটির ১৮টি জেলার কমপক্ষে ১০৫টি সীমান্ত বিন্দু দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক যেমন যাবা থেকে হেরোইন পর্যন্ত পাচার করা হচ্ছে। ঢাকা অবৈধ মাদকের প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।






























