ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সঙ্গে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে। বার্নহাম ইউক্রেনের জন্য লন্ডনের 'অটল সমর্থন' জানিয়েছেন। জেলেনস্কি মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান চার বছরের যুদ্ধ শেষ করার জন্য তিনি নতুন প্রচেষ্টা করছেন। জেলেনস্কি ও বার্নহাম পোর্টসমাথের একটি নৌ ঘাঁটি পরিদর্শন করবেন।
জেলেনস্কি ও বার্নহাম ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এমন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন। ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, বার্নহাম দুই দেশের মধ্যে 'অভঙ্গুর বন্ধন' অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবেন। বার্নহাম বলেছেন, 'ব্রিটেন ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে আছে এবং আমাদের সমর্থন অটল'।
লন্ডন ইউক্রেনের সঙ্গে এক নতুন ব্যাটল-টেস্টেড ইলেকট্রনিক জ্যামিং ক্যাপাবিলিটি 'স্টোন ক্লোক' শেয়ার করবে। ড্রোনের সঙ্গে যুক্ত হলে এই জ্যামারগুলো রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ট্র্যাক ও টার্গেট করতে বাধা দিতে পারে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য জেলেনস্কি একটি শক্তিশালী 'ড্রোন চুক্তি' স্বাক্ষর করতে চান।
যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের জন্য মোট ২৫ বিলিয়ন পাউন্ড ($৩৩ বিলিয়ন) সমর্থন দিয়েছে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে, যার মধ্যে ১৬ বিলিয়ন পাউন্ড সরাসরি সামরিক সহায়তা। জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন ও মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যে যোগ দেবেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে, ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো, বাংলাদেশকেও আন্তর্জাতিক মতামত ও সহযোগিতার গুরুত্ব বুঝতে হবে।





























