ট্রাম্প প্রশাসন মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে কয়েকজন ইরানি অভিবাসীকে নির্বাসিত করার পরিকল্পনা করছে। মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের দুজন আইনজীবী ও বিষয়টি সম্পর্কে জানেন, এমন একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এই তালিকায় এমন দুজন নারী রয়েছেন, যাঁরা ইরানে ফেরত গেলে নির্যাতন ও নিপীড়নের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তাঁদের আইনজীবী এমিলি ট্রোসল জানান, এই দুজনের একজন ধর্মান্তরিত খ্রিষ্টান, অন্যজন গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকর্মী।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে আফ্রিকার দেশটি তথাকথিত ‘তৃতীয় দেশ’ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিতদের গ্রহণ করতে সম্প্রতি সম্মত হয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা বলেন, এই চুক্তির অধীনে প্রথম ফ্লাইটে প্রায় ২০ জনকে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে নেওয়া হবে। তাঁদের মধ্যে সিরিয়া ও আফগানিস্তানের নাগরিকও রয়েছেন। দুই আইনজীবী জানান, ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার (গতকাল) ছাড়ার কথা ছিল।
ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের প্রতিবেশী দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (যেখানে এখন ইবোলার প্রকোপ চলছে) মতো দেশগুলোর সঙ্গে ‘তৃতীয় দেশে’ নির্বাসন চুক্তি করেছে। এমন সব অভিবাসীকে এসব দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাঁদের আইনি জটিলতার কারণে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।
ওয়াশিংটন এসব চুক্তি আইনসম্মত বলে দাবি করছে। তবে মানবাধিকার সংগঠন ও আইনজীবীরা বলছেন, চুক্তির বিস্তারিত দিক এখনো অস্পষ্ট এবং অনেক নির্বাসিত ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত নিজ দেশেই ফেরত যেতে হতে পারে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত উল্লিখিত মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নির্বাসিত ব্যক্তিদের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী বাঙ্গুইয়ের বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্টে রাখা হবে এবং তাঁদের অবিলম্বে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না। এই চুক্তির অধীনে পর্যায়ক্রমে শত শত অভিবাসীকে নির্বাসিত করা হতে পারে।






























