দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলে বলেছেন যে, হরমুজ প্রণালীতে সৈন্য পাঠানো নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ইরান দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করেছে যে, যদি তারা সেখানে সৈন্য পাঠায় তাহলে তাদের মুখোমুখি হতে হবে 'গুরুতর পরিণতি'র।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে, চো হিউন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছেন। চো ইরানের সঙ্গে বলেছেন যে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ-পথের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সহায়তা করতে চাপ দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন যে, সিওল তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সৈন্য পাঠানোর।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক পঞ্চমাংশ পরিবহন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রণালীর মধ্য দিয়ে ট্রাফিক বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে বিশ্বের শক্তি বাজার বিঘ্নিত হয়েছে।
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলোচনা বন্ধ হয়ে গেছে, কারণ দুই দেশই সেখানে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়। দক্ষিণ কোরিয়া এই অঞ্চলে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে একটি দল পাঠিয়েছে।
হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে বিশ্বের তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। বিশ্বের শক্তি বাজার এই প্রণালীর উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই হরমুজ প্রণালীতে যে কোনো উত্তেজনা বিশ্বের তেল ও গ্যাসের দামকে প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের শক্তি চাহিদা পূরণের জন্য তেল ও গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা বেশি।


























