প্রিন্স হ্যারি এবং এলটন জন ডেইলি মেইলের প্রকাশকের বিরুদ্ধে তাদের মামলা হারিয়েছেন। লন্ডনের হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে তারা অবৈধ তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। বিচারক ম্যাথিউ নিকলিনের রায়ের পরে এসোসিয়েটেড নিউজপেপারস বলেছে যে এটি তাদের একটি 'বিশাল বিজয়' এবং ডেইলি মেইলের সাংবাদিকতার 'অসাধারণ বৈধতা'।
মামলার বিবরণ
একটি লিখিত রায়ে বলা হয়েছে যে 'দাবিকারীরা তাদের অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে... দাবিগুলো তাই খারিজ করা হয়েছে'। এসোসিয়েটেড নিউজপেপারস বলেছে যে রায়ে দাবিকারীদের দ্বারা উত্থাপিত 'প্রতিটি ৯৭টি অভিযোগ' খারিজ করা হয়েছে যা দেখায় যে বিচারক 'আমাদের সাংবাদিকদের গল্পগুলো কীভাবে সংগ্রহ করেছেন তার বিষয়ে তাদের প্রমাণের সত্যতা গ্রহণ করেছেন'।
প্রিন্স হ্যারির যাত্রা
প্রিন্স হ্যারি, যিনি কিং চার্লস তৃতীয়-এর কনিষ্ঠ পুত্র, তার পরিবারের সাথে তার পরিকল্পিত পাঁচ দিনের যাত্রার জন্য ব্রিটেনে এসেছেন। তবে তার স্ত্রী মেঘান, ছেলে আর্চি এবং মেয়ে লিলিবেট তাকে লন্ডন ভ্রমণে অনুসরণ করবে না কারণ পরিবারটিকে পুলিশ সুরক্ষা প্রদান করা হয়নি।
মামলা এবং রায়ের প্রভাব
এই মামলাটি ছিল ডিউক অফ সাসেক্স দ্বারা ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডগুলোর বিরুদ্ধে তার বিবাদপূর্ণ আইনি লড়াইয়ের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত মামলা। এই রায় তার রাজপরিবারের সাথে সম্পর্ক আরও খারাপ করে তুলেছে।





























