জলসম্পদমন্ত্রী এমদ শহীদুদ্দিন চৌধুরী আনী আজ সংসদে জানান, সরকার নদী ভাঙন রোধ, বন্যার নিয়ন্ত্রণ এবং নদী তীর রক্ষার জন্য বিস্তৃত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, নদী ভাঙন রোধ করা সরকারের অগ্রাধিকারের অন্যতম কর্মসূচি।
সংসদের তালিকাভুক্ত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার একটি তারকাযুক্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মাস্টারপ্ল্যান, নদী ভাঙন রোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জল সংরক্ষণ, কৃষি জমিতে লবণাক্ততা হ্রাস এবং টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় ২৫০ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষার কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ মে পর্যন্ত ২০৬ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৩টি গ্রোইন ও স্পার নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও চলছে।
তিনি জানান, সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ২৫০ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষার কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পরবর্তী পাঁচ বছরে সরকার মোট ১০৫০ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষার কাজ এবং ৫০টি গ্রোইন ও স্পার নির্মাণ বা পুনর্বাসনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৩টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং আরও ৫৮টি প্রকল্প পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। এই প্রকল্পগুলো নদী তীর রক্ষা, নদী পুনরুদ্ধার, চাষাবাদ ব্যবস্থা পুনর্বাসন এবং বাঁধ ও খাল নির্মাণ ও পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ ও ২০২৩ সালের নমুনা জরুরি নিবন্ধন ব্যবস্থার রিপোর্ট উদ্ধৃত করে মন্ত্রী জানান, প্রতি বছর গড়ে ৩৫০০ পরিবার এবং ১৫ হাজার মানুষ নদী ভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়।
মন্ত্রী বলেন, নদী ভাঙনের পুনরাবৃত্তিমূলক প্রভাব বিবেচনায় সরকার ভাঙন রোধ এবং নদী তীর রক্ষার জন্য এক সিরিজ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।





























