চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জমাট ভাঙার লক্ষ্যে ১৬৮ কন্টেইনারের ই-নিলাম শুরু করেছে। জাতীয় আয়কর বোর্ডের (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই মাসব্যাপী ই-নিলাম উদ্যোগের লক্ষ্য হলো পণ্যের শারীরিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের সম্পদ অপচয় প্রতিরোধ এবং পরিষ্কার পরিচিত ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
দুই বিভাগে বিভক্ত নিলাম
নিলামটি দুই বিভাগে বিভক্ত। বিশেষ ই-নিলাম নং ০৮/২০২৬-এ ৯৩টি কন্টেইনার ৭৬টি লটে বিভক্ত, যার মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক, বিটুমেন, যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক শীট, ফ্রিজ, পাইপ, কাপড়, কাগজ এবং ঘরোয়া দ্রব্য। এনবিআর জানিয়েছে, এই চালানগুলো কোনও সংরক্ষিত মূল্য ছাড়াই নিলাম করা হবে।
অন্যদিকে, ই-নিলাম নং ০৭/২০২৬-এ ৭৫টি কন্টেইনার ৫৫টি লটে বিভক্ত, যার মধ্যে রয়েছে মূল যন্ত্রপাতি, কাপড়, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট, উত্তোলক, এয়ার ফিল্টার, ক্রাফট লাইনার কাগজ, লবণ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র।
নিলামে অংশগ্রহণের নিয়ম
আগ্রহী নিলামীদাতাদের কাস্টমস ই-নিলাম পোর্টালের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে এবং অনলাইনে বিড জমা দিতে হবে। বিড জমা দেওয়ার সময় অন্তত ১০ শতাংশ নিলাম মূল্যের সমমানের সিকিউরিটি ডিপোজিটের স্ক্যানকৃত কপি আপলোড করতে হবে। সফল নিলামীদাতাদের ইমপোর্ট পলিসি অর্ডার ২০২১-২০২৪ অনুসরণ করে পণ্য ছাড়ার জন্য কাজ করতে হবে।
পণ্য পরিদর্শন ও নিলামের সময়সূচি
ই-নিলাম নং ০৭/২০২৬-এর অধীনে পণ্য পরিদর্শন ১৩ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে, অন্যদিকে বিশেষ ই-নিলাম নং ০৮/২০২৬-এর জন্য পরিদর্শন ১৬ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। ই-নিলাম নং ০৭/২০২৬-এর জন্য অনলাইন বিডিং ১২ থেকে ২২ জুলাই দুপুর ৩:০০ পর্যন্ত খোলা থাকবে, অন্যদিকে বিশেষ ই-নিলাম নং ০৮/২০২৬-এর জন্য ১৪ থেকে ২৬ জুলাই দুপুর ৩:০০ পর্যন্ত বিড জমা দেওয়া যাবে।
এনবিআর আশা করেছে যে, প্রযুক্তি-চালিত নিলাম সিস্টেম স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে, নিলামযোগ্য পণ্যগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নত করবে এবং দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরের হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।






























