ক্রিমিয়া, ব্ল্যাক সি-র একটি উপদ্বীপ যা রুশ দখলের কারণে আন্তর্জাতিক বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। উক্রেন রুশ দখলকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং নিজেদের অধিকার দাবি করে চলেছে। ক্রিমিয়ার কৌশলগত গুরুত্ব, সামরিক অবস্থান এবং ঐতিহাসিক পটভূমি রয়েছে।
ক্রিমিয়া ব্ল্যাক সিতে অবস্থিত একটি উপদ্বীপ যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। এর কৌশলগত অবস্থান শতাব্দী ধরে ইউরোপীয় নৌবাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিল। ১৭৮০-এর দশকে ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের অধীনে এটি রাশিয়ান সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে যায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি বাহিনী ক্রিমিয়া দখল করে এবং ১৯৪৫-এ ইয়াল্টা কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতারা ইউরোপের বিভাজন নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১-এ ক্রিমিয়া স্বাধীন উক্রেনের অংশ হয়ে যায়। তবে ২০১৪-এ রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে এবং এটি রুশ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়নি।
রুশ দখলের পর থেকে ক্রিমিয়া নিয়ে উক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বজায় রয়েছে। উক্রেন নিয়মিতভাবে ক্রিমিয়ায় হামলা চালাচ্ছে এবং রাশিয়া ক্রিমিয়ার উপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে। ক্রিমিয়ার কৌশলগত গুরুত্ব এবং রাশিয়ার সামরিক অবস্থান এই অঞ্চলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় করে তুলেছে।






























