রাশিয়া-অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্টোপোল শহরে ড্রোন আক্রমণ ও ব্ল্যাকআউটের কারণে গ্রীষ্মকালীন উত্তেজনা বাড়ছে। স্থানীয় মানুষ এই অবস্থার সাথে জীবনযাপন করছে। ক্রিমিয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।
ড্রোন আক্রমণ ও ব্ল্যাকআউটের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
ক্রিমিয়ার ২.৪ মিলিয়ন মানুষের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট একটি দৈনন্দিন বাস্তবতা। ক্রিমিয়ার রাজ্যপাল সের্গেই আকসিওনভ জানান, সাম্প্রতিক আক্রমণে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ক্রিমিয়ায় রাশিয়ান বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপট
রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর নিন্দা ও নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়। রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে দাবি করেন। অধিকাংশ দেশ রাশিয়ার দাবি স্বীকার করে না। ইউক্রেন ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার অধিকারকে অস্বীকার করে এবং রাশিয়ার শহরগুলোতে আক্রমণ চালাচ্ছে।






























