উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যাঁরা বিশ্বকাপ দেখতে যাবেন, তাঁদের অনেকেই স্থানীয় খাবারগুলো চেখে দেখবেন। নতুন কোনো জায়গায় গেলে স্থানীয় খাবার, সংস্কৃতি ও চর্চার সঙ্গে পরিচিত হওয়াটাই এক অলিখিত নিয়ম।
মেক্সিকোর টাকোস: স্বাদের অসাধারণ অভিজ্ঞতা
মেক্সিকোর খাবার দিয়ে শুরু করলে প্রথমেই আসে টাকোস। সাধারণত ছোট রুটির (টর্টিলা) মাঝখানে মাংস, সবজি, সস এবং কখনো চিজ ভরে টাকোস তৈরি করা হয়। খুবই সহজ রেসিপি, তবে দুর্দান্ত স্বাদের খাবারটি বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বার্গার: ফাস্ট ফুডের প্রতীক
যুক্তরাষ্ট্র বহু ধর্ম, বর্ণ ও জাতির মানুষ নিয়ে গড়া এক দেশ। এখানকার খাবারেও আছে বহুজাতিক সংস্কৃতির ছোঁয়া। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের খাবারের প্রভাব রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাবারে, যা তৈরি করেছে এক নতুন ধারাও। আর এই ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতীক হলো বার্গার।
কানাডার পুটিন: স্বাদের অনন্য অভিজ্ঞতা
কানাডার খাবার যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর চেয়ে কিছুটা ভিন্ন ঘরানার এবং স্বাদেও অনন্য। এখানকার সবচেয়ে পরিচিত খাবার পুটিন। এটি মূলত ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের ওপর চিজ কার্ড আর গ্রেভি সসের মিশেল। দেখতে সাধারণ হলেও এর স্বাদ অত্যন্ত সমৃদ্ধ।






























