বিসিবি ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন চেয়ারম্যান আলেকজান্ডার মার্শাল আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে দূর্নীতি দূর করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি পুনরায় জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইউনিটটি অ্যান্টি-দুর্নীতি কোডের অধীনে অভিযোগগুলো তদন্ত করছে এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও কিছু দূর্নীতির মামলা শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মার্শাল আরও বলেছেন, ইউনিটটি তিনটি বিভিন্ন ধাপে তদন্ত সম্পন্ন করে। যদি প্রমাণ খুব শক্তিশালী হয় তাহলে তিনি অভিযোগের সুপারিশ করেন। যদি প্রমাণ শক্তিশালী না হয় তাহলে ব্যক্তিদের কিছু সময়ের জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অথবা যদি কোনও প্রমাণ না পাওয়া যায় তাহলে মামলা শেষ করা হয়।
তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ ১২-এর নিলামে যে নয়জন খেলোয়াড়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাদের বিরুদ্ধে কোনও অ্যান্টি-দুর্নীতি তদন্তের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি বা তাদের মুক্তি দেওয়া হয়নি। তিনি বলেছেন, স্বাধীন তদন্তের প্রতিবেদনে নয় জনের বেশি ব্যক্তির নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: বিসিবি ইন্টিগ্রিটি ইউনিট কী করে কাজ করে? উত্তর: ইউনিটটি খেলোয়াড়, কোচ, দল ম্যানেজার, সাংবাদিক এবং আইসিসি থেকে দূর্নীতির সন্দেহ নিয়ে তথ্য পায়। তারপর তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করে তদন্ত শুরু করে।
প্রশ্ন: মার্শাল কি কোনও খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করতে পারেন? উত্তর: মার্শাল বলেছেন, তিনি কোনও খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করতে পারেন না। তিনি শুধু তদন্ত তত্ত্বাবধান করেন। যদি তদন্তের প্রমাণ খুব শক্তিশালী হয় তাহলে তিনি অভিযোগের জন্য সুপারিশ করেন।
প্রশ্ন: বিসিবি ইন্টিগ্রিটি ইউনিট কীভাবে দূর্নীতি দূর করার কাজ করছে? উত্তর: মার্শাল বলেছেন, ইউনিটটি বিসিবি প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবাল এবং জেনারেল কাউন্সেলের সমর্থনে স্বাধীনভাবে কাজ করছে। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশে ক্রিকেট থেকে দূর্নীতি দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

































