আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে তিন পরিবর্তন করেছে। গোঁজালো মন্তিয়েল ডান পার্শ্ব ব্যাকে নাহুয়েল মোলিনার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। মধ্যমাঠে রদ্রিগো দে পাউল এবং নিকো গঞ্জালেজ ফিরে এসেছেন, লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং জিউলিয়ানো সিমিওনের বদলে। স্পেন ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালের একই দল নিয়ে মাঠে নামছে।
গোঁজালো মন্তিয়েল ২০২২ সালের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে জয়সূচক পেনাল্টি করেছিলেন। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি এই পরিবর্তন করেছেন। লিওনেল মেসি তার তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলছেন এবং টুর্নামেন্টে এই পর্যন্ত আট গোল করেছেন। ফ্রান্সের কিলিয়ান ম্বাপের পিছনে তিনি দুই গোলে পিছিয়ে রয়েছেন।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করলে তারা জার্মানি এবং ইতালির সমপর্যায়ে চতুর্থবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হবে। স্পেন ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছে। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে একই দল নিয়ে খেলতে যাচ্ছেন যেটি ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল।
স্পেনের লামিনে ইয়ামাল মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতলে তিনি বিশ্বকাপ জয়ী তৃতীয় কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হবেন। স্পেনের দলটি হলো: উনাই সিমোন; পেদ্রো পোরো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেলা; রদ্রি (অধিনায়ক), ফাবিয়ান রুইজ; লামিনে ইয়ামাল, ডানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা; মাইকেল ওয়ারজাবাল।
আর্জেন্টিনার দলটি হলো: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; গোঁজালো মন্তিয়েল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো; রদ্রিগো দে পাউল, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, নিকো গঞ্জালেজ; এনজো ফার্নান্দেজ; লিওনেল মেসি (অধিনায়ক), জুলিয়ান আলভারেজ।






























