জিয়া পরিবারের প্রতিটি প্রজন্ম চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে অসাধারণ অবদান রেখেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পর্যন্ত, চট্টগ্রাম সর্বদাই রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। জিয়া পরিবারের সাথে চট্টগ্রামের এই গভীর সম্পর্ক স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং গণতন্ত্রের অগ্রগতির সাথে জড়িত।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার সমস্ত রাজনৈতিক উদ্যোগের শুরু করেছিলেন চট্টগ্রাম থেকে। ১৯৭১ সালে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেডিও কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিল। ১৯৭৫ সালে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর, তিনি চট্টগ্রামের দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দের সাথে বহু গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং এই অঞ্চলের নেতাদের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখেছিলেন।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তারেক রহমান আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম সফর করবেন এবং বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন বাড়ি, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কাছে নগদ অর্থ বিতরণ করবেন।
বিএনপির চট্টগ্রাম শাখার সিনিয়র নেতারা বলেছেন যে, ১৯৭১ সালে দেশের নেতৃত্বহীন অবস্থায় মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেডিও কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই ঘোষণা মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিল এবং দেশের স্বাধীনতার পথ খুলে দিয়েছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর, তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
বর্তমানে চট্টগ্রামের উন্নয়নে তারেক রহমানও গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি উদ্বোধন এবং ত্রাণ বিতরণ করা হবে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টসের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ বলেছেন, 'জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং এই শহরেই শহীদ হয়েছিলেন। ফলে চট্টগ্রামের বাসিন্দারা জিয়া পরিবারের প্রতি একটি রক্তের ঋণ অনুভব করে।'
চট্টগ্রামের জনসাধারণের মধ্যে জিয়া পরিবারের প্রতি গভীর আকর্ষণ রয়েছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা জিয়া পরিবারের প্রতি তাদের আকর্ষণ এবং স্নেহ প্রকাশ করেছেন।






























