মডেলরাই অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসায় বেশি আক্রান্ত হন। অবশ্য মডেলদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গনের তারকা, নৃত্যশিল্পী, জিমন্যাস্ট, খেলোয়াড়, অভিনয়শিল্পীসহ যে পেশাদারদের সঙ্গে ‘বডি ইমেজ’-এর ধারণা গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত, তাঁরাও আক্রান্ত হন এই রোগে।
অ্যানোরেক্সিয়া সাধারণত কিশোরী ও তরুণীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে পুরুষ, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক—সবারই হতে পারে। এর কোনো একক কারণ নেই। সাধারণত বিভিন্ন জৈবিক, মানসিক, জিনগত ও সামাজিক কারণ একসঙ্গে কাজ করে।
অ্যানোরেক্সিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আছে ওজন বাড়ার প্রতি তীব্র ভয়; খুব কম খাওয়া বা খাবার এড়িয়ে চলা; নিজের শরীরকে বাস্তবের তুলনায় মোটা মনে হওয়া; ওজন কমাতে অতিরিক্ত ব্যায়াম; না খেয়ে থাকা বা অন্যান্য কঠোর পদ্ধতি অনুসরণ করা ইত্যাদি।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা না হলে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা, কিডনির ক্ষতি, হাড়ক্ষয়, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি থেকে গুরুতর অপুষ্টিজনিত সমস্যা হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
চিকিৎসায় সাধারণত কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে করা হয়—পুষ্টিবিদের সহায়তায় স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসে ফেরা, পুষ্টি পুনরুদ্ধার (স্বাভাবিক ওজন ফিরিয়ে আনা), মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীর কাউন্সেলিং।


















