রাশিয়া-অধিকৃত ক্রিমিয়ার গ্রীষ্মকালে ড্রোন হামলা এবং ব্ল্যাকআউটের কারণে মানুষের জীবন কঠিন হয়ে পড়েছে। উক্রেন ব্ল্যাক সি এলাকায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
ক্রিমিয়ার জীবনযাপন
সেভাস্টোপোলের স্থানীয় জর্জি বলেছেন, 'আমরা এখন আর কিছুতেই ভয় পাই না।' ক্রিমিয়ার অধিবাসীরা নিজেদের জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিন্তু, ব্ল্যাকআউট এবং জ্বালানির অভাব দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। ক্রিমেনার্গো বিদ্যুৎ বণ্টনকারী প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কথা জানায়।
রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব
রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করেছিল, যা পশ্চিমের দেশগুলোর কাছ থেকে প্রথম ধাপের নিষেধাজ্ঞা আনয়ন করেছিল। এই উপদ্বীপ রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে প্রতীকী ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
উক্রেন রাশিয়ার শান্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করতে চায় এবং রাশিয়ার শহরগুলোতে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই অভিযান চালাচ্ছে।






























