রাঙ্গামাটিতে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন মেয়ে ছাত্রী 'জয়ী বৃত্তি-২০২৬' পেয়েছে। সাহিত্য সংগঠন 'ফিরেদেখা'র '৪১৯তম মানন পথের আসর'-এ শুক্রবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রীদের ৮,০০০ টাকা করে চেক দেওয়া হয়েছে। 'জয়ী বৃত্তি' আমেরিকান প্রবাসী কবি ও ঔপন্যাসিক সিনথিয়া খানের পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে। এ বৃত্তি অর্থনৈতিকভাবে সংকটে থাকা প্রতিভাবান মেয়েদের জন্য নতুন সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিরেদেখার একজন পথিকৃৎ তপস মাহমুদ, 'জয়ী বৃত্তি'র পরিচালক, কবি ও প্রকাশক শাকিল মাসুদ, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও রংপুর রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) কমান্ড্যান্ট, লেখক ও কবি মোঃ আব্দুর রজ্জাক, লেখক রেজাউল করিম মুকুল, লেখিকা ও ঔপন্যাসিক নার্গিস আখতার বানু ঝর্ণা, নিখিল চন্দ্র মহান্ত, জাকির সোহান, মোসারফ হোসেন, নিলরতন সরকার, মোজাম্মেল হক এবং খায়ালি মোস্তফাসহ অন্যান্যরা।
বৃত্তি বিজয়ী ছাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বিআরইউআর) ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাফা সুলতানা, বিআরইউআর অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের স্নাতক ছাত্রী রাসনা আখতার, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এমবিবিএস ছাত্রী তাসরিফা তাসনিম আঠৈ, রংপুর সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী নুপুর আখতার, বিআরইউআর ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ডোলনা আখতার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের অনার্স ছাত্রী মেহরিন রহমান মিন্টি এবং বিআরইউআর ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সঙ্গীতা রানী ও সুমাইয়া স্বর্ণা।
বৃত্তি বিজয়ী ছাত্রীরা বলেছেন যে, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তাদের উচ্চশিক্ষায় বিভিন্ন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। 'জয়ী বৃত্তি' পেয়ে তাদের শিক্ষার পথ আরও সহজ ও উজ্জ্বল হয়েছে।
এই বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা মেয়েদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের সামাজিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






























