প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান আজ জাতীয় সংসদে বলেছেন, তার সরকার পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সরকার ভাল শাসন, স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে একটি উন্নত এবং টেকসই পুঁজিবাজার গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের মাধ্যমে বাজারের গভীরতা বাড়ানো এবং বিনিয়োগ শিক্ষা প্রসারিত করা।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের বিবরণ
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার ১৭টি অগ্রাধিকার প্রোগ্রাম গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান এবং তিনজন কমিশনার নিয়োগ করা যাঁরা পুঁজিবাজারে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে ফ্লোর মূল্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত লাভজনক সংস্থাগুলোর শেয়ার অফলোডিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি তালিকাভুক্তি উৎসাহিত করা হচ্ছে।
অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বহুজাতিক এবং উচ্চ মূলধন সংস্থাগুলোর শেয়ার অফলোডিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ সৃষ্টি করা; ছোট ও মাঝারি আকারের শক্তিশালী সংস্থাগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা; পুঁজিবাজার ম্যানিপুলেশন প্রতিরোধের জন্য তথ্য প্রকাশ করা এবং হুইসেলব্লোয়ারদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা এবং উদ্দীপনা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা।
সংসদীয় আলোচনা
প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি খুলনা-৪ আসনের সরকারি বেঞ্চের সংসদ সদস্য স্ক আজিজুল বারী হেলালের একটি তারকাযুক্ত প্রশ্নের জবাবে বলেছেন। হেলালের অনুপস্থিতিতে প্রশ্নটি পটুয়াখালী-৪ আসনের সরকারি বেঞ্চের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন উত্থাপন করেছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম, পীঠে বসেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পিকারকে বলেছেন, "আপনি যদি গতকাল বা আজকের সংবাদপত্র দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন যে পুঁজিবাজার ধীরে ধীরে উন্নতি করছে এবং ভাল করছে।"






























