গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এমদাদুল হক রাজা একজন শিক্ষক এবং কৃষি উত্সাহী, যিনি আধুনিক এবং পরিবেশ বান্ধব কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করে অ্যাংগুর চাষে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। তার অ্যাংগুর বাগানটি এখন একটি স্থানীয় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এবং অঞ্চলের যুব উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করছে।
অ্যাংগুর চাষের সূচনা
এমদাদুল হক রাজার বাড়ি পুর্ব বাঁচহাটিদে গ্রামে অবস্থিত, যা সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে। শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষির প্রতি তার আগ্রহ তাকে কুড়িগ্রামের এক ব্যাঙ্কার রুহুল আমিনের সাথে সংযোগ করেছিল, যার উৎসাহ তাকে অ্যাংগুর চাষের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিল।
অ্যাংগুর বাগানের বিবরণ
রাজা তার বাড়ির পাশে সাত ডেসিমাল জমিতে বিভিন্ন জাতের ৫০টি অ্যাংগুর বেল রোপণ করেছেন। তিনি বাগানটির নাম রাখেন 'কৃষিবিদ অ্যাংগুর বাগান'। চার বছর ধরে ধীরে ধীরে রোপণ করা সত্ত্বেও, গত বছর থেকে বাইকনুর, গ্রিন লং, ভ্যালেজ এবং প্রেস্টিজ জাতের অ্যাংগুর ফল দিতে শুরু করেছে। বাগানটি জাল দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে।
অ্যাংগুরের গুণমান এবং চাহিদা
রাজা বলেন তার অ্যাংগুর বাজারে সাধারণত পাওয়া অ্যাংগুরের তুলনায় অধিক মিষ্টি এবং ভালো মানের, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করছে। বাগানটি একটি রাস্তার পাশে অবস্থিত হওয়ায়, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ নিয়মিত অ্যাংগুর চাষ দেখতে এবং ফল চাষ্টে আসে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
রাজা বলেছেন যে তিনি ২৬টি অ্যাংগুর জাত রোপণ করেছেন, যার মধ্যে রাশিয়ান জাতের অ্যাংগুর ইতিমধ্যে ফল দিতে শুরু করেছে। এই বছরের ফসল গত বছরের তুলনায় ভালো এবং প্রতিটি বেল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর ধরে উৎপাদনশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আশা করছেন যে বাকি জাতের অ্যাংগুর আগামী বছর ফল দিতে শুরু করবে।




























