অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খোসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ডেনমার্ক চট্টগ্রামের পতেঙ্গার লালদিয়া চরে একটি আধুনিক বন্দর নির্মাণ করবে। তিনি আজ চট্টগ্রামের লালদিয়াতে এপিএম টার্মিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সরকার এ প্রকল্পে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করছে এবং বিশ্বের শিপিং ও লজিস্টিক দানব এপি মুলারের বাংলাদেশে আগমন এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
প্রকল্পের বিবরণ
চট্টগ্রামের কারণফুলী নদীর তীরে ৫৯.১৫ একর জমিতে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে এপিএম টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৩২ একর মূল টার্মিনাল, ৭.১৫ একর কনটেইনার ইয়ার্ড এবং ১০ একর ট্রাক পার্কিংয়ের জন্য বরাদ্দ থাকবে। টার্মিনালটিতে ৭টি শিপ-টু-শোর (এসটিএস) গ্যানট্রি ক্রেন, ৩২টি বৈদ্যুতিক রাবার-টায়ার্ড গ্যানট্রি ক্রেন (ইআরটিজি) এবং ৪১টি বৈদ্যুতিক টার্মিনাল ট্র্যাক্টর থাকবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
এপিএম টার্মিনাল লালদিয়া ৯০০,০০০ টিইউ বার্ষিক হ্যান্ডলিং ক্ষমতা সম্পন্ন হবে এবং ১০.৫ মিটার খসড়া এবং ৬,০০০ টিইউ ক্ষমতা সম্পন্ন বড় জাহাজগুলি ধারণ করতে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৬১৩ মিটারের জেটিতে একবারের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বার্ষিক ২৫০,০০০ মার্কিন ডলার কনসেশন ফি পাবে। প্রতি কনটেইনারে ২৩ মার্কিন ডলার উপার্জন করবে। এপিএম টার্মিনাল বিস্থাপিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্য ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অঙ্গীকার করেছে।
সম্পর্কিত মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রধান গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে, যা দেশের মোট আমদানি ও রপ্তানির ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ৯৮ শতাংশের বেশি পরিচালনা করে। তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা গত দশকে দ্বিগুণ হয়েছে।





































