অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খাসরু মহম্মদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অর্থনীতি উজ্জ্বল করা, চাকরি তৈরি করা, রপ্তানি ও শিল্পকরণ উন্নীত করা এবং ব্যবসার জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করাই এই পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্য।
চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একসাথে কাজ করে পোর্টের সমস্ত সমস্যা চিহ্নিত করেছে। সমস্যা সমাধানের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কাজের জন্য সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, যদি সিদ্ধান্ত অঙ্গীকারের সাথে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সামগ্রী নিষ্কাশন এবং রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় সময় হ্রাস পাবে এবং পরিচালনার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়াও, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুরক্ষায় অনৈতিক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকবে না এবং এমন কার্যে জড়িত কার্যকর্তাদের শাস্তি দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম পোর্টের উন্নয়নে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তারা চট্টগ্রামকে কেবল একটি লজিস্টিক্স হাব হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমগ্র উন্নয়নের এক অগ্রদূত হিসেবে দেখতে চায়।





























