চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এই মাসে ৪৪২ কন্টেনার অনাদায়িত ও নিলামযোগ্য মালামালের পুরোপুরি ডিজিটাল ই-অকশনের আয়োজন করবে। এর লক্ষ্য চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেনার জমাটবদ্ধতা দূর করা এবং তার কার্যকরী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক প্রেস রিলিজে এ বিষয়টি জানিয়েছে।
এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য শারীরিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় প্রতিরোধ করা এবং অপরিষ্কার মালামালের কার্যকর নিষ্পত্তির সুবিধা করে দেওয়া। স্পেশাল ই-অকশন নং ১০/২০২৬ এর অংশ হিসেবে মোট ১০১ লট নিয়ে ২৯০ কন্টেনার অকশন করা হবে।
অকশনে রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিকের বাজে বস্তু, চেস্ট ফ্রিজ, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সৌর মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস এবং গৃহস্থালির জিনিসপত্র রয়েছে। এছাড়া ৮৬টি পুরানো খালি কন্টেনার অকশন করা হবে।
অকশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল
স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে সমগ্র অকশন প্রক্রিয়া ডিজিটালভাবে পরিচালিত হবে। আগ্রহী ক্রেতারা কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালের মাধ্যমে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তারা অফিস সময়ে মালামাল পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
নিলামে অংশগ্রহণের নিয়মাবলী
নিলামে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী ক্রেতারা কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে। নিলামের জন্য অনলাইন বিড জমা দেওয়া যাবে। বিডারদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিরাপত্তা জামানত জমা দিতে হবে। নিলামের জয়ীদের মালামাল পরিষ্কার করতে হবে।
অকশনের বিস্তারিত তথ্য
বিস্তারিত তথ্যের জন্য আগ্রহী ক্রেতারা কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টাল: auction.bdcustoms.gov.bd পরিদর্শন করতে পারেন।







































