২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২৭ দিনে বাংলাদেশ ২.৫২৪ বিলিয়ন ডলার অর্থপ্রেরণ পেয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.২ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে অর্থপ্রেরণের পরিমাণ ২.৫২৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ২.০৯৯ বিলিয়ন ডলার অর্থপ্রেরণ পাওয়া গিয়েছিল। ২৭ জুলাই শুধুমাত্র ৮৭ মিলিয়ন ডলার অর্থপ্রেরণ দেশে পাঠানো হয়েছে।
আর্থিক বছরের শুরুতে এই উল্লেখযোগ্য অর্থপ্রেরণের প্রবেশ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ খরচ এবং বাহ্যিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অর্থপ্রেরণের এই উচ্চমাত্রার প্রবাহ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিগত বছরগুলোতে বিদেশী চাকরিজীবীদের অর্থপ্রেরণ বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো থেকে অর্থপ্রেরণের একটি বড় অংশ আসে। এই অর্থপ্রেরণ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বজায় রাখতে এবং অর্থনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।






























