বাংলাদেশ এলডিসি থেকে স্নাতক হওয়ার পর পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় প্রস্তুত হচ্ছে একটি নতুন পাঁচ বছরের বাণিজ্য পরিকল্পনা নিয়ে। বাণিজ্য ক্ষমতা শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা এবং বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলকতা বৃদ্ধি করা এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।
পরিকল্পনার বিবরণ
এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হবে দেশের প্রোগ্রাম ডকুমেন্ট (সিপিডি) মাধ্যমে, যা এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্কের (ইআইএফ) তৃতীয় পর্বের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লুটিও)-এর নেতৃত্বে এই ইআইএফ প্রোগ্রামটি এলডিসি দেশগুলোর বাণিজ্য ক্ষমতা গড়ে তোলায় সহায়তা করে।
পরিকল্পনার অগ্রাধিকারসমূহ
বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান এই পরিকল্পনার বিবরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নতুন সিপিডিতে ১২টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মকান্ড রয়েছে, প্রতিটি বাংলাদেশের বাণিজ্য ক্ষমতা উন্নয়ন এবং সংস্কারের এজেন্ডার সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি জোর দিয়েছেন যে শুধুমাত্র নীতি এবং গবেষণা প্রতিবেদন প্রস্তুত করা যথেষ্ট নয়, তার কার্যকর বাস্তবায়নই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
বাস্তবায়নের গুরুত্ব
খাদিজা নাজনীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডাব্লুটিও) বলেছেন যে ডাব্লুটিও এর এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্ক এলডিসি দেশগুলোর বাণিজ্য ক্ষমতা শক্তিশালী করতে আর্থিক সহায়তা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সফলভাবে এই প্রোগ্রামের দুটি পর্ব বাস্তবায়ন করেছে। তৃতীয় পর্ব এই বছর শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।






























