ডিজিটাল অধিকার প্রহরী সংস্থা এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাংলাদেশ বর্ষজুড়ে অনুমানিক ৩ মিলিয়ন টন বৈদ্যুতিন বর্জ্য থেকে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করতে পারে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর স্বতন্ত্র প্রচেষ্টা এবং বিদ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব।
ভয়েসেস ফর ইন্টারেক্টিভ চয়েস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট (ভয়েস)-এর ডেপুটি ডিরেক্টর মুশাররত মাহেরা এক নীতি আলোচনায় বলেছেন, দেশের বৈদ্যুতিন বর্জ্য থেকে প্রতি বছর ২০০-২২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো পুনরুদ্ধারযোগ্য সম্পদ পাওয়া যায়।
ভয়েস ও এসোসিয়েশন ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশন্স (এপিসি) রাজধানীর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটোরিয়ামে 'ইলেকট্রনিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ: রিয়েলিটি অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড' শিরোনামে এক আলোচনাসভা করেছে। তাঁরা বলেছেন, শুধুমাত্র ১০ শতাংশ ই-ওয়েস্ট পুনর্ব্যবহার করা হয়।
বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বৈদ্যুতিন বর্জ্য পরিচালনার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডাঃ রওশন মামতাজ বলেছেন, বৈদ্যুতিন বর্জ্য পরিচালনার জন্য একটি কৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।





























