চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ সকালে দুবাই থেকে আগত এক যাত্রীর কাছ থেকে কাস্টমস ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ২.১৬ কেজি অবৈধ সোনা উদ্ধার করেছেন। সোনার মূল্য আনুমানিক ৩.৫৬ কোটি টাকা। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) এর যৌথ অভিযানে এই সোনা উদ্ধার করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ শহিদুল আলম চৌধুরী, যিনি মীরসরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে করে সকাল ৯:৪০-এ বিমানবন্দরে পৌঁছান। তথ্যপ্রাপ্তির পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরা তাকে কাস্টমসের গ্রীন চ্যানেল দিয়ে যেতে বাধা দেন।
বিমানবন্দরের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল নিশ্চিত করেছেন যে, যাত্রীর পোশাকের অন্তর্বাস ও পাজামার বেল্টের মধ্যে গলিত সোনা ও অলংকার লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত সোনাটি বিমানবন্দর কাস্টমসের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসন শহিদুল আলম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা দায়েরের ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিমানবন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, এনএসআই, ডিজিএফআই, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি নিয়ে গঠিত একটি যৌথ বাহিনী চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে অবৈধ সোনা ও বিদেশি মুদ্রার পাচার রোধে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
পটভূমি
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবৈধ সোনা পাচারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিমানবন্দরের নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে এবং যাত্রীদের উপর কঠোর নজর রাখা হচ্ছে। বিগত কয়েক মাসে এই বিমানবন্দর থেকে বেশ কয়েকটি বড় মাপের সোনা পাচারের ঘটনা উদ্ধূত হয়েছে।
পরবর্তী ব্যবস্থা
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, উদ্ধারকৃত সোনার বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হবে। এছাড়াও, অবৈধ সোনা পাচার রোধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।






























