ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের ব্যক্তিগত ছবি প্রদর্শন না করে পরিবেশ সচেতনতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। মঞ্চ ও প্রাচীরে ২০টি ব্যানার ও ফেস্টুন মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, গাছ রোপণ ও তাদের যথাযথ যত্ন নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে, ৫ জুন ক্যাবিনেট বিভাগ একটি সার্কুলার জারি করে সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে যে, অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য প্রাধান্য পাওয়া উচিত এবং অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু প্রতিফলিত করতে হবে।
অতিথিদের প্রতিক্রিয়া
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকার বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। পরিবেশ কর্মী সোলাইমান নিলয় বলেছেন, 'এটি একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য বিষয়। আজকের অনুষ্ঠানে কোনও ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নেই।'
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আফরোজা রোজা বলেছেন, 'পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল ছবি প্রদর্শন করা হত। ফলে অনুষ্ঠানের প্রকৃত তথ্য লক্ষ্য করা কঠিন হত এবং অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য প্রায়শই ছাপা পড়ত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান সেই সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে আসার উদ্যোগ নিয়েছেন, যা প্রশংসনীয়।'
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএম সালেহ শিবলী বলেছেন, এটি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের প্রতিফলন যা প্রধানমন্ত্রী বারংবার উল্লেখ করেছেন।
অনুষ্ঠানের বিবরণ
প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা, জাতীয় গাছ রোপণ অভিযান এবং গাছ মেলা ২০২৬ উদযাপনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যরা, সংসদ সদস্যরা, কূটনীতিকরা, সিনিয়র সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা এবং পেশাদাররা উপস্থিত ছিলেন।




























