সরকার দেশের ১০টি নতুন জেলায় রেল পরিষেবা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে দেশের ৫৯টি জেলায় রেল সংযোগ চালু হবে। বরিশাল বিভাগের বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় রেল চালু করা হবে। এছাড়াও মেহেরপুর, শেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা ও লক্ষ্মীপুর জেলায় রেল সংযোগ চালু করা হবে।
রেল পরিষেবার সুবিধা
রেল পরিষেবা চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিম, দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের ভ্রমণ সহজ হবে। এর ফলে কৃষি, শিল্প, পর্যটন, মৎস্য, আমদানি-রপ্তানি কার্যকলাপ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
মন্ত্রীর মন্তব্য
সড়ক পরিবহন ও সেতু, জাহাজ চলাচল ও রেল মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রেল সংযোগ বিস্তার, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য ধাপে ধাপে ৬৪টি জেলায় রেল সংযোগ চালু করা।
বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্ক
রেল অফিসারদের মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেটওয়ার্কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৩৬০ কিলোমিটার। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪৯টি জেলায় রেল সংযোগ রয়েছে। ১৫টি জেলা এখনও রেল পরিষেবার বাইরে রয়েছে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতামত
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রেল পরিবহন যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের জন্য রাস্তার তুলনায় কম খরচে পরিবহন করে, জ্বালানি সংরক্ষণ করে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কম। তাছাড়া, রেল পরিবহন কম কার্বন নির্গমনের কারণে পরিবেশ বান্ধব। তাই তারা রেল নেটওয়ার্কের সম্প্রসারকে জাতীয় অর্থনীতি, আঞ্চলিক সংযোগ এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার জন্য সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করেন।






























