স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার এমদ সখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং সর্বোচ্চ মানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। তিনি আরও বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের সর্বত্র উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য কাজ করছে। এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থার সহায়তায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস পরিষেবা চালু করা হচ্ছে।
আলো ক্লিনিক মডেলের ফলাফল উপস্থাপন
রাজধানীর এক হোটেলে আজ আয়োজিত এক আলোচনায় স্বাস্থ্য পরিষেবা মহাপরিচালকের অধীনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে 'আলো ক্লিনিক' মডেলের প্রমাণভিত্তিক ফলাফল, বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা উপস্থাপন করা হয়েছে। এই ফলাফলগুলো সরকারের ভবিষ্যৎ উদ্যোগগুলোকে শহুরে এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চিকিৎসার অভাবে কেউ মরবে না: সখাওয়াত
মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, কোনও মানুষ চিকিৎসার অভাবে মরবে না। দেশের সর্বত্র স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, সমস্ত দূরবর্তী এবং অগম্য অঞ্চল থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিবহন করতে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা প্রসারিত করা হবে।
আলো ক্লিনিক মডেলের অগ্রগতি
২০২১ সাল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জে ছয়টি আলো ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্লিনিকগুলো জাতীয় অপরিহার্য পরিষেবা প্যাকেজ (ইএসপি++) এর আওতায় বিনামূল্যে, সমন্বিত এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে।
আলো ক্লিনিক মডেলের অধীনে বিভিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে মাতৃ, নবজাতক এবং শিশু স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান, পুষ্টি স্ক্রীনিং, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা। ক্লিনিকগুলোতে গড়ে প্রতিদিন ১৬৮ জন রোগী পরিষেবা গ্রহণ করে।
চারটি ক্লিনিক ২৪/৭ মিডওয়াইফ-লেড নর্মাল ডেলিভারি সেন্টার পরিচালনা করে, যেখানে জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১,০০০ টিরও বেশি নিরাপদ প্রসব সম্পন্ন হয়েছে।
আলো ক্লিনিক মডেলের উদ্যোগ
আলো ক্লিনিক মডেলটি ইউনিসেফ বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করেছে, যাতে সুইডেন সরকারের আর্থিক সহায়তা রয়েছে।






























