লালমনিরহাটের ঐতিহাসিক এমটি হোসেন ইনস্টিটিউট অবিলম্বে সংস্কারের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে এই বিল্ডিংটি ধসের প্রান্তে পৌঁছে গেছে। রামকৃষ্ণ মিশন রোডে অবস্থিত এই বিল্ডিংটি একসময় উত্তরবঙ্গের এক অন্যতম সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীত এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
দীর্ঘ ইতিহাস এবং অবনতির কারণে চিন্তা
এই বিল্ডিংটি ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের দ্বারা 'ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে এটি 'পিয়ার্স ইনস্টিটিউট' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। ১৯৩৪ সালে, রেলওয়ের চিফ টিকিট পরীক্ষক এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সমর্থক এমটি হোসেনের অকাল মৃত্যুর পর, রেলওয়ে কর্মীরা তার সম্মানে ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল। তারপর থেকে এটি 'এমটি হোসেন ইনস্টিটিউট' নামে পরিচিত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা এবং কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি
স্থানীয় বাসিন্দারা ভয় পাচ্ছেন যে, অবিলম্বে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না হলে বিল্ডিংটি চিরকালের জন্য হারিয়ে যেতে পারে। শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এই বিল্ডিংটিকে লালমনিরহাটের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে দেখেন। জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিল্ডিংটির সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এমটি হোসেন ইনস্টিটিউট নামক বিল্ডিংটি লালমনিরহাটের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে দেখা হয়। বিল্ডিংটির সংরক্ষণ না হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য চিরকালের জন্য হারিয়ে যেতে পারে।






























