পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎসজীবীদের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে। প্রজনন মৌসুমে মৎস নিষেধাজ্ঞার কারণে আয়হীন হয়ে পড়া এই মৎসজীবীদের জন্য এই উদ্যোগ তাদের জীবনযাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে।
রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মৎসজীবীদের জীবনযাত্রার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। মৎস নিষেধাজ্ঞার সময় তাদের পরিবারের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই খাদ্য সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মঙ্গলার এক অনুষ্ঠানে খাদ্য সহায়তা বিতরণের সময় রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে সুন্দরবন নির্ভর মৎসজীবীদের জন্য কোনো খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি ছিল না। এই প্রথমবার সরকার এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।
সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট এবং মঙ্গলায় সুন্দরবনের আশেপাশের অঞ্চলে ৮,২৭১ জন নিবন্ধিত মৎসজীবীর মধ্যে মোট ৬,৬৬২ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। রামপালের জন্য অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণ চাল রাখা হয়েছে কারণ সেখানে নিবন্ধিত মৎসজীবীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
ফরিদুল বলেছেন, সরকার সুন্দরবনের জৈববৈচিত্র্য এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং একই সাথে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবিকা রক্ষার জন্যও কাজ করছে।
তিনি বলেন, মৎসজীবীদের কল্যাণের জন্য সরকারের সহায়তা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। প্রতি বছর সুন্দরবনের নদী, খাল এবং পানির অন্যান্য জলাশয়গুলোতে জৈববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য মৎস নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
তবে, মৌসুমি নিষেধাজ্ঞার কারণে হাজার হাজার বন নির্ভর মৎসজীবী আয়হীন হয়ে পড়ে। তাদের কষ্ট বিবেচনায় সরকার এই বছর প্রথমবারের মতো খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে।






























