বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ-এর মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবি পুশ ইন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।
৮ জুন ভারতের রাজধানীতে বিজিবি ও বিএসএফের ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছিল। এতে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্য পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার।
বিজিবির মহাপরিচালক বিএসএফ কর্তৃক রোহিঙ্গা/মিয়ানমার নাগরিকসহ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে সাম্প্রতিক পুশ ইন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিজিবি ডিজি বিএসএফ মহাপরিচালককে এ ধরনের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করার এবং বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া ও প্রটোকল অনুসরণের আহ্বান জানান।
বিএসএফ মহাপরিচালক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সব অনিষ্পন্ন জাতীয়তা যাচাইকরণ বিষয় দ্রুত সম্পন্ন করার এবং তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বলে বিজিবির বিবৃতিতে জানানো হয়।
সম্মেলনে সীমান্তে হত্যা ও সহিংসতা প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালান, অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার, জাল মুদ্রা ও স্বর্ণ চোরাচালান, পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রম এবং অননুমোদিত নির্মাণ ও সীমান্ত অবকাঠামোসংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সীমান্ত সম্মেলন শেষে বিএসএফ প্রচারিত এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচনায় উভয় পক্ষ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা সমন্বিত টহল আরও জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি, তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো এবং আন্তসীমান্ত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে।






























