মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার মধ্যে আমেরিকা এবং ইরান পরস্পরের সামরিক অবকাঠামো আক্রমণ করেছে। আমেরিকা ইরানের বিভিন্ন শহরে মিসাইল হামলা চালিয়েছে, অন্যদিকে ইরান হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে খারাপি জাহাজগুলো আক্রমণ করেছে।
সৌদি আরবের একটি জাহাজ রেড সী অতিক্রম করার সময় আক্রান্ত হয়েছে, যা সৌদি রাষ্ট্রীয় মাধ্যম জানিয়েছে। হুতি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে তারা রেড সীতে ট্যাঙ্কারগুলো আক্রমণ করেছে।
হুতিরা রেড সীতে সৌদি বন্দরগুলো অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে, যা তেল পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট। যুদ্ধের কারণে হোর্মুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে, যা তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যে বিশ্ব তেল মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট নর্থ সী ক্রুডের মূল্য ৯৫ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা গালফ দেশে একটি পারমাণবিক কর্মসূচি স্থাপন করবে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্ব তেল বাজারে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য তেল মূল্য বৃদ্ধির হুমকি হিসেবে কাজ করছে।




























