লেবানন সেনাবাহিনী ইসরায়েলের সাথে একটি চুক্তির পর দক্ষিণের একটি অঞ্চলে মোতায়েন শুরু করেছে। এই অঞ্চলটি তিনটি 'পাইলট অঞ্চল' এর মধ্যে একটি যেখানে হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ছাড়তে হবে। লেবাননের রাষ্ট্রপতি জোসেফ আউন ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার সময় এই ঘোষণা আসে। ইসরায়েল সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ছাড়তে বাধ্য করতে লেবানন আক্রমণ করেছিল। যদিও যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী এখনও লেবাননের কিছু অংশ দখল করে রয়েছে। লেবাননের সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে অন্য দুটি পাইলট অঞ্চলে উপস্থিত রয়েছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাপঞ্জি
লেবাননের সেনাবাহিনী নাবাতিহ অঞ্চলের জাওতার আল-গারহবিয়ায় মোতায়েন শুরু করেছে বলে জানিয়েছে। লেবাননের মিডিয়ায় সেনা যানবাহন, যার মধ্যে কিছু লেবাননের পতাকা উত্তোলন করে, গ্রামে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এই গ্রামটি ইসরায়েল দ্বারা 'নিরাপত্তা অঞ্চল' নামে পরিচিত অঞ্চলের প্রান্তে অবস্থিত।
চুক্তির বিবরণ
লেবানন ও ইসরায়েল গত মাসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যাতে ইসরায়েলের লেবানন থেকে ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ছাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। হিজবুল্লাহ বারবার এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অস্ত্র ছাড়তে অস্বীকার করেছে। ইসরায়েলের পূর্ণ প্রত্যাহারের জন্য কোনও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।






























