মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের সাথে সম্পর্কের সন্দেহে আটকে পড়া শেষ অস্ট্রেলীয় নারী দেশে ফিরতে পারবেন বলে সরকার জানিয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রী টনি বার্ক বৃহস্পতিবার জানান, তাকে দেশে ফিরতে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, একটি 'অস্থায়ী বর্জন আদেশ' ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষ তার ফেরার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল, তবে এখন সেটি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং অস্ট্রেলিয়া আইনত তাকে দেশে ফিরতে বাধা দিতে পারবে না।
এই নারীটি ৩০ জনেরও বেশি নারী ও শিশুর মধ্যে শেষ যারা সিরিয়ার খারাপ অবস্থার বন্দিশিবির থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসছে। ইসলামিক স্টেটের স্বঘোষিত খিলাফতের পতনের পর তারা বছরখানেক ধরে সেখানে আটক ছিল। অনেক ক্ষেত্রেই নারীরা তাদের স্বামীদের পিছন নিয়ে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে চলে গিয়েছিল, যারা জিহাদি যোদ্ধা হিসেবে যোগ দিয়েছিল। এ কারণে তাদের দেশে 'আইএস ব্রাইডস' বলা হয়।
নিরাপত্তা শর্তাবলীর মুখোমুখি হবেন নারীটি
বার্ক বলেন, নারীটি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসার পর কঠোর নিরাপত্তা শর্তাবলীর মুখোমুখি হবেন, যার মধ্যে রয়েছে নজরদারি এবং কম্পিউটার ও টেলিফোন ব্যবহারের উপর সীমাবদ্ধতা। তিনি বলেন, 'এখানে খুব উচ্চ পর্যায়ের নজরদারি এবং পর্যবেক্ষণ থাকবে এবং আমরা আইনগতভাবে যতটুকু সম্ভব করতে পারি তার সীমা পর্যন্ত গিয়েছি।'
এ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসার পর তিন নারীকে তাত্ক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে দাসত্ব থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে যোগদানের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসলামিক স্টেট গ্রুপের উত্থানের সাথে সাথে শত শত নারী পশ্চিমা দেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে লুরে হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ এখনও নাগরিকদের চিকিৎসা নিয়ে খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না যারা গ্রুপটি পতনের পর আটকে পড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কমিশন সরকারকে সিরিয়ার খারাপ নামকরা বন্দিশিবিরে আটকে পড়া নারী ও শিশুদের পুনর্বাসনে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। তবে অন্যরা নারীদের অস্ট্রেলিয়াকে পিঠ দেখানোর অভিযোগ আনে এবং মনে করে তাদের ফল নিজেরাই খাওয়া উচিত।






























