ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জর্জিয়ার তিবিলিসিতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস ফোরামে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি, ক্ষমতা গঠন ও পারস্পরিক অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। ফোরামে ১২টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে ডিজিটাল রূপান্তরের ব্যর্থতার হার বিশ্বব্যাপী ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। এই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি অপরিহার্য।
ফোরামের থিম ও উদ্যোগ
ফোরামের থিম ছিল 'পাবলিক ইনস্টিটিউশন রূপান্তর: উদ্ভাবন, দায়বদ্ধতা, অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তি অগ্রসর করা'। মন্ত্রী উদ্ভাবন, দায়বদ্ধতা ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তার মতামত শেয়ার করেছেন। বাংলাদেশের অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা উপস্থাপন করে তিনি বলেছেন যে দেশে নাগরিক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়া প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আই গভর্ন্যান্স
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) গুরুত্ব উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেছেন যে এআই পাবলিক সার্ভিসের গুণমান ও দক্ষতা উন্নত করতে বিশাল সুযোগ প্রদান করে থাকে। তবে এআই গভর্ন্যান্স, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বাংলাদেশ বর্তমানে ইউএনডিপির সাথে এআই-এর ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে কাজ করছে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও সহযোগিতা
ফোরামের পাশাপাশি মন্ত্রী কম্বোডিয়া, আজারবাইজান ও কাজাখস্তানের মন্ত্রীদের সাথে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকগুলোতে মন্ত্রী বাংলাদেশের নাগরিক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল অর্জনগুলো তুলে ধরেছেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) ভিত্তিক আধুনিকীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধান ফলাফল ও সহযোগিতা
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কাঠামো স্থাপনের জন্য সমঝোতা হয়েছে। বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ডিজিটাল বিনিময় উদ্যোগের অধীনে একটি যৌথ কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। কাজাখস্তানের আস্তানা সিভিল সার্ভিস হাবের সহযোগিতায় বাংলাদেশে একটি নতুন ইনোভেশন এজেন্সি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।






























