ইরাকি স্ট্রাইকার আলি আল-হামাদির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পিছনে রয়েছে লিভারপুলের রাস্তায় কাটানো শৈশবের গল্প। তিনি তার কঠিন শৈশব থেকে অর্জিত গুণাবলি নিয়ে ইরাকের হয়ে সেনেগালের বিপক্ষে গ্রুপ আই-এর চূড়ান্ত খেলায় মাঠে নামবেন।
কঠিন শৈশব ও অসাধারণ প্রতিভা
আল-হামাদি ইরাক থেকে শিশু অবস্থায় লিভারপুলের টক্সটেথ এলাকায় চলে আসেন। সেখানে তার শৈশব অত্যন্ত কঠিন ছিল। তার পরিবার অনেক সময় খাবারের জন্য লড়াই করতে হয়েছিল। তবুও, তার বাবা-মা সবসময় তাকে সমর্থন করেছেন।
ফুটবলের প্রতি অসাধারণ আগ্রহ
আল-হামাদি তার শৈশবের অনেক সময় রাস্তায় ফুটবল খেলে কাটিয়েছেন। তিনি দুই জাম্পার দিয়ে গোলপোস্ট বানানো এবং রাস্তায় খেলা শুরু করতেন। তার এই অভ্যাস তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের দিকে নিয়ে গেছে।
প্রিমিয়ার লিগে প্রথম ইরাকি খেলোয়াড়
আল-হামাদি প্রিমিয়ার লিগে খেলার মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তিনি ইপসউইচের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক করেছেন। এর আগে তিনি ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপে খেলার সময় গোল করতে খুব কাছাকাছি ছিলেন।
পরিবারের বলিদান ও তার সাফল্য
আল-হামাদির পিতা ইরাকের তৎকালীন শাসক সাদ্দাম হুসেনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য কারাগারে ছিলেন। পরিবারের বলিদান এবং তার নিজের অসাধারণ প্রতিভার কারণে তিনি আজ যেখানে আছেন সেখানে পৌঁছেছেন।





























