২০২৪ সালের জুলাই জন-অভ্যুত্থানের সময় সোহেল রানার উপর হত্যার চেষ্টার অভিযোগে নওগাঁ-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুককে আদালত আটক দেখিয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদ আলম আদেশ দিয়েছেন। পুলিশ তাকে আদালতে উপস্থিত করে আটক দেখানোর জন্য আবেদন করেছিল। পরে আদালত তাকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, মোহাম্মদ সোহেল রানা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুরের ময়ূর ভিলায় গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
২০২৫ সালের ১১ জুন, মোহাম্মদ সোহেল রানা মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে মোহাম্মদ ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করে।
আইনি প্রক্রিয়া
পুলিশ মোহাম্মদ ওমর ফারুককে আদালতে উপস্থিত করে তাকে আটক দেখানোর জন্য আবেদন করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদ আলম আদেশ দিয়ে তাকে আটক দেখান। পরে তাকে জেলে পাঠানো হয়।
পটভূমি
২০২৪ সালের জুলাই জন-অভ্যুত্থানের সময় বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছিল। এর মধ্যে মোহাম্মদ সোহেল রানার উপর হামলা একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।





























