আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী এমডি আসাদুজ্জামান আজ বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং যথাযথ তদারকির পর পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হবে। জাতীয় সংসদে প্রশ্ন-উত্তর অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল আলীমের একটি পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বিষয়টি বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রত্যেক জেলায় ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত মামলাগুলো পরীক্ষার জন্য। কমিটির সুপারিশ হোম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে আরেকটি কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
এমডি আসাদুজ্জামান বলেন, দ্বিতীয় কমিটি প্রতিটি মামলা আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে পরীক্ষা করে প্রত্যাহারের উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও চলবে।
সরকার রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত মামলাগুলো মোকাবেলায় আইনি এবং স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করছে যাতে সত্যিকারের মামলাগুলো চিহ্নিত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আরেকটি পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা সরকারের নেই। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যদি কোন আপিল লম্বিত থাকে তাহলে প্রথমে তা আদালতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
আপিল নিষ্পত্তির পর দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি ফৌজদারি বিধির ৪০১ ধারা অনুসারে হোম মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারে। হোম মন্ত্রণালয় তখন আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়ার পর রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা বা শাস্তি হ্রাসের জন্য বিষয়টি পাঠায়।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রার্থনা করা যায়। এই ক্ষেত্রে হোম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করা হয় এবং আইন মন্ত্রণালয় আইনি মতামত প্রদান করে।
তিনি পুনরায় জানান, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের কোন প্রবিধান নেই তবে তারা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শাস্তি হ্রাস বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে।





























