অনভ্যস্ত শরীরে হঠাৎ ফুটবল খেললে পেশিব্যথা, পানি বা লবণের ঘাটতিজনিত সমস্যা, আঘাত, লিগামেন্টে টান, টেন্ডনে আঘাত, হৃৎপিণ্ডের ওপর আকস্মিক চাপ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।
পেশিব্যথা
অনভ্যস্ত পেশিগুলো আকস্মিক ভারী কাজের চাপে পড়ার কারণে পেশিব্যথা হতে পারে।
পানি বা লবণের ঘাটতি
অনভ্যস্ত ব্যক্তি খেলতে গিয়ে নিজের শরীরের পানি বা লবণের ঘাটতি বিষয়ে খুব একটা সচেতন না-ও থাকতে পারেন। পানি বা লবণের ঘাটতির কারণে পেশিতে টান পড়ে বা খিঁচ ধরে যায় খুব সহজে।
আঘাত
অনভ্যস্ত শরীরে আঘাতের ঝুঁকি বেশি। অপেশাদার ব্যক্তি সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই খেলতে নেমে যান। তাতে আঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়ে।
লিগামেন্টে টান
খেলতে গিয়ে লিগামেন্টে টান পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে জয়েন্ট বা এর আশপাশে ব্যথা হতে পারে।
টেন্ডনে আঘাত
হুট করে খেলতে গিয়ে টেন্ডনে আঘাত লাগতে পারে। হতে পারে প্রদাহ।
হৃৎপিণ্ডের সমস্যা
হৃৎপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি খেলাধুলা বা ভারী ব্যায়ামে অভ্যস্ত না হলে হুট করে খেলা শুরু করা তাঁর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। খেলতে গিয়ে হৃৎপিণ্ডের ওপর আকস্মিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বের শারীরিক সমস্যা
উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিক রোগী অনভ্যস্ত শরীরে খেলাধুলা করতে গেলে হুট করে অসুস্থ হতে পারেন। এ ছাড়া কারও আগে থেকে পেশি বা জয়েন্টে কোনো সমস্যা থাকলে খেলতে গিয়ে তা বাড়তে পারে।
প্রতিরোধের উপায়
খেলতে চাইলে ধীরে ধীরে শরীরকে অভ্যস্ত করে নিন। পেশির স্ট্রেচিং এবং কিছু হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। অল্প অল্প করে খেলার সময় বাড়ান। খেলার আগে ওয়ার্মআপ করুন। খেলার পর কুলডাউন করুন। খেলার আগে ও খেলার সময় ইলেক্ট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় খান। পর্যাপ্ত সুরক্ষাসামগ্রী নিয়ে খেলার অভ্যাস করা উচিত। আগে থেকে কোনো রোগ বা শারীরিক সমস্যা থাকলে এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।




























