পুরুষ বন্ধ্যত্বের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা, গঠন বা চলাচলের ত্রুটি থাকতে পারে। এছাড়াও হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া বা জিনগত রোগের কারণেও পুরুষ বন্ধ্যত্ব হতে পারে। আধুনিক জীবনযাত্রার অভ্যাস যেমন ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, মাদকাসক্তি, স্থূলতা, মানসিক চাপ ইত্যাদিও প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণসমূহ
পুরুষ বন্ধ্যত্বের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকা। একে বলে ওলিগোস্পারমিয়া। শুক্রাণুর গঠন ও গতিশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ। অণ্ডকোষের শিরা ফুলে যাওয়া বা ভেরিকোসিল, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মাম্পস, যৌনবাহিত রোগ, প্রোস্টেটের সংক্রমণ, জিনগত রোগ ইত্যাদিও পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে।
পুরুষ বন্ধ্যত্বের লক্ষণসমূহ
পুরুষ বন্ধ্যত্বের স্পষ্ট লক্ষণ না থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, ইরেকশনের সমস্যা, বীর্যপাতের সমস্যা, অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলা ভাব, শরীরে হরমোনজনিত পরিবর্তন, মুখ বা শরীরের লোম কমে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যেতে পারে।
পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা
বর্তমানে পুরুষ বন্ধ্যত্বের অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব। জীবনযাপনে পরিবর্তন, ওষুধ, অস্ত্রোপচার বা আধুনিক প্রজননপ্রযুক্তির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়।





























