আশপাশের মানুষের নেতিবাচকতা আপনার কর্মশক্তি কমিয়ে দিতে পারে। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী শারমিন হকের মতে, এমন পাঁচ ধরনের মানুষ আছেন যাঁদের সঙ্গে বেশি সময় কাটালে আপনার কর্মশক্তি কমতে পারে।
যাঁর কাছে আছে কেবল অভিযোগ
কিছু ব্যক্তি কেবল নানা বিষয় নিয়ে অভিযোগই করেন। এ ধরনের নেতিবাচকতা আপনাকে প্রভাবিত করতে পারে। কাজকর্মে অনাগ্রহী হয়ে পড়তে পারেন আপনি।
যাঁরা সবকিছুতেই নিজেদের টেনে আনেন
কিছু ব্যক্তি আবার নিজের সাফল্য বা সুখের কথা প্রচার করতে ভালোবাসেন। সব সময়ই সবার মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চান। এ ধরনের ব্যক্তি, যাঁরা সবকিছুতেই নিজেদের টেনে আনেন বা নিজেদের ‘সবজান্তা’ মনে করেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আপনি স্বস্তি পাবেন না।
যাঁরা ব্যক্তিজীবনের সীমানা লঙ্ঘন করেন
এই সমাজের অনেকেই ব্যক্তিগত বিষয়ে অন্যের মতামত চায় না। তবে অনেকেই তা মানে না। বিয়ে, বিচ্ছেদ, ওজন, সন্তানধারণের মতো একেবারে ব্যক্তিজীবনের বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলে অনেকেই। খোঁচা মেরে কথা বলে। এ রকম ব্যক্তির কথার জবাব দিতে গেলে আপনার জীবনের বহু সময় নষ্ট হয়ে যাবে।
যাঁরা হয়ে উঠতে চান ‘অথরিটি’
কেউ কেউ কেবল ব্যক্তিজীবনের সীমানাই লঙ্ঘন করেন না, বরং হয়ে উঠতে চান ‘অথরিটি’। অফিসের কর্তা আপনার জীবনের হর্তাকর্তা নন। আপনার আশপাশের অন্য কেউও নয়। জীবনটা আপনার। জীবনে আপনার অথরিটি আপনি নিজেই। অন্য কেউ অথরিটি হয়ে উঠতে চাইলেই মুশকিল।
যাঁরা অন্যের সমালোচনায় অভ্যস্ত
কেউ কেউ আবার আপনার বিষয়ে ইতিবাচক কথা বললেও প্রায়ই অন্য কারও সমালোচনা করতে থাকেন। এমন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে গেলে আপনার মনে হতে পারে, আপনার অনুপস্থিতিতে হয়তো আপনারও সমালোচনা করবেন তিনি। এটা একধরনের মানসিক চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।





























