হামের পর শিশুদের নিউমোনিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। হাম নিজে কোনো জটিল সংক্রমণ নয়, তবে হামের ভাইরাস রোগীর রোগ প্রতিরোধ-ব্যবস্থাকে আঘাত করে। কিছুদিনের জন্য হলেও অকার্যকর করে দেয় শিশুদের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ঢুকে পড়ে নানা জীবাণু। হামের কারণে শরীরের ভিটামিন এ–এর মজুতও ঘাটতিতে পড়ে। শিশুমৃত্যুর মূল কারণ এই পরবর্তী সংক্রমণ, বিশেষ করে নিউমোনিয়া।
নিউমোনিয়ার লক্ষণ ও চিকিৎসা
হামে আক্রান্ত শিশুর সাধারণত নাকে পানি আর হালকা কাশি থাকতে পারে। একই সঙ্গে তার যদি শ্বাসকষ্ট হয়, তবে সতর্ক হতে হবে। মাকে খেয়াল করতে হবে যে— শিশুর বুকের ওঠানামার গতি অন্য সময়ের তুলনায় বেশি বেশি মনে হচ্ছে কি না। শ্বাস নেওয়ার সময় তার সামনের বুকের নিচের অংশ দেবে যাচ্ছে কি না। যদি তার আঙুলে সেট করা পালস অক্সিমিটারে (যদি থাকে) অক্সিজেনের মান ৯০-এর কম দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অসুস্থ শিশুকে জরুরিভাবে হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসক অবস্থা বিচার–বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নেবেন। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ দেবেন।





























